নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড মাঠে তাঁর গতি, শক্তি ও গোল করার ক্ষমতার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এই ফুটবলারের সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে কঠোর অনুশীলনের পাশাপাশি নিয়মিত যোগাসনের অভ্যাসও।
প্রায় ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার হালান্ড বহুবার জানিয়েছেন, শারীরিক ফিটনেসের পাশাপাশি মানসিক স্থিরতা বজায় রাখার জন্য তিনি নিয়মিত যোগাসন করেন। বিশেষ করে সুখাসন বা পদ্মাসনে বসে জ্ঞানমুদ্রার অনুশীলন তাঁর দৈনন্দিন রুটিনের অংশ। তাঁর মতে, এই অভ্যাস মনকে শান্ত রাখতে, একাগ্রতা বাড়াতে এবং চাপের মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
হালান্ডের গোল উদ্যাপনের ধরনও এই অভ্যাসেরই প্রতিফলন। গোল করার পর তাঁকে প্রায়ই সুখাসন বা পদ্মাসনের ভঙ্গিতে চোখ বন্ধ করে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় বসে উদ্যাপন করতে দেখা যায়। এই ভঙ্গি তাঁর অন্যতম পরিচিত ‘সেলিব্রেশন’ হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে হালান্ড জানিয়েছেন, বড় ম্যাচের আগে মানসিক প্রস্তুতির জন্য যোগাসন তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুশীলনের আগে বা পরে, এমনকি ম্যাচের আগেও তিনি ধ্যান ও শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেন।
ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত যোগাসন শরীরের নমনীয়তা বাড়ানোর পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। হালান্ডের মতো অনেক আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদই তাই আধুনিক ফিটনেস প্রশিক্ষণের পাশাপাশি যোগাসন ও মেডিটেশনকে নিজেদের রুটিনের অংশ করে তুলেছেন।
মাঠে তাঁর আগ্রাসী ফুটবল এবং মাঠের বাইরে শান্ত ও সংযত ব্যক্তিত্ব— এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতে যোগাসন যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তা একাধিকবার নিজেই স্বীকার করেছেন আর্লিং হালান্ড।

